Tuesday, 10 January 2012

স



ধ্রুত চোখে শিকারি নজর , শব্দ উৎসে রেখে কান
আমি শিকারি ,
মধ্যযুগীয় বর্বরতা অতিক্রম করে অতি আধুনিকে পৌঁছে আরো
ধারালো আমার ফলা ,
ট্রিগারে আঙ্গুলের শক্তি কমেছে বটে আমার বেড়েছে যথেষ্ট ,

বুদ্ধ


‎..........বুদ্ধ ...

ভবিষ্যৎ পন্থায় সুলগ্নের অপেক্ষায়
তির তির বয়ে যাওয়া সাতচল্লিশ
ব্যর্থ বসন্ত উপকথা ,
পদ থেকে অগ্রমস্তক নিগ্রো ভাইয়ের
শরীরের প্রতিলিপি
আমি বুদ্ধ ,
লাফিং এর উপমা টুকু চল্লিশ টাকায়
ঘরে ঘরে
সে কারিগরের হিসেবী মূর্তি ,
বয়ঃসন্ধি কাল রেসের বাজী ধরা ঘোড়া
পিছিয়ে পড়লে
নিঃস্ব আপন পরের বিভেদ ,
জিততে পারলে নিদেন পক্ষে রাংকিয়ে থাকলেই
কাঙ্ক্ষিত তোমার হাতে বন্ধি , সে
স্বজন বা পরজন ,
আমি বুদ্ধ
আমি সময়ের প্রতিনিধি ,
শিখতে পারিনি নির্বাণের মূল্যবান সূত্র
নেই পার্থিব ত্যাগের গল্প
চার পাঁচটা পেট ছিল হাঁসের মতন , প্যাঁক প্যাঁক
সারাদিন খাদ্য সন্ধান ,
বেলা গেছে চলে প্রতিদিন
আমি খাদকের খাদ্য সন্ধানী ,

তবুও
এই অবেলায় বুকের হাঁসকল ক্যাঁচ ক্যাঁচ করে
গ্রন্থিতে গ্রন্থিতে গেঁটে বাত একাদশী মানি
অহিসেবি খেলে পরে উদ্গিরন উদ্ধে অথবা নিম্নে
তবুও
প্রতিরাতে সুপ্ত বীজ মত্ততা মাগে , আমার রেনু রক্ত
জীবনের প্রতীক্ষায় রক্ত মাংসের আস্ত শরীর খোঁজে ।

মাইকেক ১৫


‎......। মাইকেল ১৫...।।

ধুলি ঝড়ে তির্যক বালিয়াড়ি লড়াই করেই
বেঁচে থাকে আজীবন , জড় নয় জীবনের
লড়াইয়ের স্তম্ভ সোপান ।
কদিন ধরে রাতে দুই গ্লাস করে মধু খাচ্ছি
জানুয়ারির গুল মার্গ বলেই জান্ত আছি এখনো ,
সিং থাবার ভয়াবহতা চাক্ষুষ দেখিনি বরফের
দেখছি , এখানে , প্রীতম ,
ঠাকুমা থানে শামিয়ানা টাঙিয়েছে ভূস্বর্গ উপত্যকা
পানীয় জল ও যে জল থাকছে না পিপাসায়
লক্ষ করিনি তো কোন দিন , উপোষী সিকারা বিন্দ গানে
খুঁজছে অলীক মায়ার সন্ধান বা আল্লার খেজুর বাগানে
লুটো লুটি আনন্দে সন্তান ,
প্রীতম
মৃত্যুও বোধহয় শীতলতাকে মান্যতা দেয় , কি জানি ভয় পায় ,
হতে পারে......
বুলেটের শব্দধনি বারুদের গন্ধ লাগছে না মনে...
শীতলতার ধর্ম কি শান্তি... ? ভাবছি এখানে্র লোক গুলো কে
যে শান্তি বরফ দিতে পারে বর্তমানে
পৃথিবীর কোন দেশের সেই ক্ষমতা কি আছে ? তুমি কি বল প্রীতম ?

চলমান


‎...।।চলমান ভাসমান বিবর্ত...।

রতিতে মণি মুক্ত
সুক্তো রন্ধনে
ব্যাঞ্জনে তৃপ্তি আনে
সু-রাধুনি গিন্নী ঘরে এলে ,
বিক্রম পুরুষ ধর্ম
মুত্র বা পুত্র
নিক্ষেপিত সরল পথে
আমি জানি
জানে ঈশ্বর ও ,
ত্যাগের মহিমা কথা
সত্য সমুজ্জ্বল ,
বিহনে প্রেমের মায়া
পাঞ্চালি ছিল সেও যে
অভাগিনী নারী ,
স্পর্শ অনুভাবে
মনোরঞ্জন আঙ্গুলের
মননের বিষম জ্বালা
বা অলিন্দে ,
রুধির বেগ যতো
শরীরে বাড়ে
কাম ক্রোধ নষ্ট চিন্তা
নিয়ন্ত্রকের ভুমিকা গ্রহন করে ।

র


হাজারটা শকুন মরে আমি হয়েছি
তুমি বল যখন ভাললাগে
যদি বলতে হাজারটা কামুক প্রেমিক কে
পিছু ফেলে আমি তোমার হয়েছি
তবে আরো ভালো হতো ,
যদি বলতে নখ দন্তহীন আমি প্রেমিক প্রবর
তবে তুমি নয়
আমি বলতাম ধরণী দ্বিধা হও এখনি

অনিবার্য


‎............ অনিবার্য ...।

একদিন নিশ্চিন্তে অমৃত আস্বাদনে মাড়িয়ে
ঘোলা জল বৈতরণীর ,
কোলাহল জনতা আদালত সুবিশাল প্রাচীর
মায়ার শেকল
পরে রবে নিস্তেজ দুপুর শর্ষে ফুলি গুঁড়ের সকাল
খনা টিকটিকি আর
ধান শিসের গুচ্ছ প্রজাপতি মথেদের লালা উদ্গিরন
পঞ্চমীর চাঁদ শিশিরের সূর্য রঙ
ষষ্ঠীর বাহনের মাছচুরি গল্প এখানে বার বার ।

চলে যাবো
যে পথে পিতা প্রপিতামহের দল ঝাঁক বেঁধে
অনিবার্য অনেকবার
ইতিহাসে আগে ইতিহাসের পথে , অন্ধকারে
আলোর গতিময়তায় ভালোবেসে ঘৃণা করে
মহিষ দুধের স্বাদ মুখে নিয়ে
সন্তান জন্মনর আগে বা পরে
ফেলে রেখে পোয়াতি পুকুর আউসের ক্ষেত
নবান্ন রাতের চাঁদ ডুবা শার্দূলের হিংস্র চোখ
ফাঁকি দিয়ে... জীবনের নিয়মে...

চলে যাবো আমি
পেয়েছি আলোর সুস্পষ্ট নির্দেশ
যে ছায়াপথ ধরে অহরহ নিত্য গেয়ে চলে সত্য
জীবনের গান
আমার এই পূর্বপুরুষের প্রবাহিত রক্ত বীজ
আমারই উত্তর পুরুষের শরীরে দিয়ে যাবার রয়েছে
আমার অঙ্গীকার
কালের নিয়মে জন্ম , কালের নিয়ম ই শেষ কথা বলে !

Saturday, 31 December 2011


‎.........। মা ...।।

মন কেমন করা সেই সকাল আর নেই
.........সেই মাধুকরী উড়ে এসে বসেনা আমার সোনা গাছে
আমি থেকেও না থাকার মতো হয়ে পরে রয়েছি এখানে ,
বা হাতের আঙ্গুল গুলো অসর হতে হতে থেমে গেছে এই বেলা,
যতক্ষণ আগুন ছিল , আগুনের গল্প ছিল মনে... উন্মত্ত মাদকিয়
নেশায় উড়ে এসে খেয়ে যেত মধু সুধা , সে সন্তান হোক বা বারবনিতা ,
এই রোগ শয্যা ,
চোখের সামনে বদলে যাচ্ছে নিয়মমতো দৃশ্য , জগত থিয়েটার পাড়ার
নাত্য মঞ্চ , কালো কাপর ঢেকে দৃশ্য পতন ,
চেনা সম্পক রঙ্গিন জলের হাত বদল গ্লাস , যেদিকে চিয়াস ধ্বনি
সেদিকে কাঁধ বেঁকিয়ে ঝুকে পরে চিনতে পারছ ? আমি বিনয় ?
সন্তান দল সুখী পায়রা সারাজীবন যেদিকে সুখ পাখি থাকে
তার ডানায় আশ্রয় খোজে , পরম সুখে রইবে এবার......
এতো দিনের চেনা জানি স্ত্রী( !)
এক ই বিছানায় সঙ্গম সম্ভগ উৎপাদন জীবন , রঙ্গতামাশা , বায়না
কত স্বপ্নের বিমুরতি ছবি ছাপানো দিনকাল , ভুলে গেল ?
এত দিনে ও স্ত্রী হতে পারলো না...
শুধু এখনো রাত্রি গভীর হলে
আমার বিছানা ভেসে যায় অনাকাঙ্কখিত এক জস্নায় ...
আমার মায়ের লাঠিতে ভর করে চাঁদ এসে বলে যায়
আই খোকা আয় আমার সাথে
আমার কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড় ,
আমি আছি জেগে সারারাত
এখনো সব সম্পর্ক যায় নি গ্যাঙের জলে ভেসে , তোর মা আছে
তোর মা আছে এখন ও রক্ত দুধ নিয়ে